মুক্তির পথ খুঁজতে গিয়ে-
রাস্তার বাঁকে বাঁকে দেখা মিললো ক্রুশবিদ্ধ যিশুর,
মাথার ঠিক নাইন্টি ডিগ্রি এ্যাঙ্গেলে-
উড়তে দেখলাম একটা কাক,
যার একমাত্র উদ্দেশ্য-
পথিকের কাঁচা মগজ ঠুকরে খাওয়া।
অকপটে দাঁড়িয়ে দিব্যি উপভোগ করছি-
তোমার মস্তিষ্ক প্রক্ষালক মেশিনগানের-
ভারী বর্ষন।
চিলের ডানায় ভর করে চলে যেতে চাই,
সেই রোহিঙ্গাপল্লীতে-
যেখানে ঘুরে বেড়ায় অসংখ্য শকুন।
তবুও তোমার মনের অরন্যে-
উদ্দেশ্যহীন বিরচন করছি না।
দেশভাগের আগেই যে দেহভাগ হয়েছে-
বিক্ষিপ্ত হয়েছে চির স্থির মন।
তার কারনবসত,
আমি হলাম পাখি-
পরের জন্মে হবো নাহয় পশু।
এক মগজ খেকো পশুর জন্ম হবে ভবিষ্যতে।
ভালোবাসার বিরুদ্ধে যারা গড়ে তুলবে-
অসংখ্য লালসার পাল!
যারা ঘাসের বদলে খেয়ে বাঁচবে-
কয়েকশ পাতা প্রেমপত্র!
এবং যাবর কাঁটবে আরও বহুকাল।

সমদ্বীপ
লেখক,শিক্ষার্থী(জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ)