মিরাজ শুভ-
বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে কলকাতার হোটেল পার্কে বাংলাদেশ-ভারত চেম্বার এন্ড কমার্স-এর উদ্যোগে একটি গোপন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে ভারতের স্টেট ব্যাংকের কান্ট্রি হেড অমিত কুমার এবং ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক পিযুষ কান্তি ভট্টাচার্য্যের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ ও ভারতের বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠকে উপস্থিত ব্যক্তিরা:
১. আসাদুজ্জামান খান কামাল (সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী)
২. অসীম কুমার উকিল
৩. অধ্যাপিকা অপু উকিল
৪. ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট
৫. নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন (সাবেক এমপি, ভোলা-৩)
৬. গোলাম রাব্বানী (সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ)
৭. সিদ্দিকী নাজমুল আলম (সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, লন্ডন প্রবাসী)
৮. আল নাহিয়ান জয় (সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ)
৯. লেখক ভট্টাচার্য (সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ)
১০. সাদ্দাম হোসেন (সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ)
১১. শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান (সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ)
১২. লেদার লিটন (হাজারীবাগ আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মৃত তোরাব আলীর ছেলে)
১৩. বাংলাদেশ-ভারত চেম্বার এন্ড কমার্স-এর সুব্রত সুমন
১৪. শেখ হাসিনার ড্রাইভারের ছেলে রুবেল
১৫. সোহানা সাবা (চিত্রনায়িকা, অ্যাডমিন, আলো আসবে গ্রুপ)
১৬. মেহের আফরোজ শাওন (সাবেক আওয়ামী লীগের সাংসদ তহুরা আলীর কন্যা)
বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত:
বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে, বাংলাদেশকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করে পুনরায় ক্ষমতা দখলের লক্ষ্যে দেশব্যাপী সহিংসতা সৃষ্টি করা হবে। ২০ জানুয়ারি ২০২৫-এর পর থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনগুলোকে বিভক্ত করে ঢাকাসহ সারাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়।
সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা:
জাহাঙ্গীর কবির নানক ও বাহাউদ্দিন নাসিম: আন্দোলন ও ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম সমন্বয় করবেন।
মোঃ রুবেল (শেখ হাসিনার ড্রাইভারের ছেলে): প্রশাসনের কর্মকর্তা, পুলিশ ও সেনা কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করবেন।
লেদার লিটন: ঢাকায় বিভিন্ন স্থানে নাশকতার দায়িত্ব পালন করবেন।
তারেকুজ্জামান রাজিব ও আসিফ: মোহাম্মদপুর ও আশপাশের এলাকার দায়িত্ব নেবেন।
মাইনুল হোসেন খান নিখিল: পুরো ঢাকা শহরের বিভিন্ন অঞ্চলে নাশকতা পরিচালনা করবেন।
ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট: মগবাজার, গুলিস্তান, তেজগাঁও, বাড্ডা, বনশ্রী এলাকায় হামলার দায়িত্ব নেবেন।
ওয়াকিল উদ্দিনের অনুসারীরা: বাড্ডা ও ভাটারা এলাকায় নাশকতার নেতৃত্ব দেবেন।
গাজি মেসবাউল হোসেন সাচ্চু: বনানী ও মিরপুর এলাকায় তৎপর থাকবেন।
সোহানা সাবা: ভারতীয় কূটনৈতিক ও বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করবেন।
মেহের আফরোজ শাওন: নাশকতা কার্যক্রমের সমন্বয় করবেন।
এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশে বড় ধরনের সহিংসতা ও অরাজকতার সৃষ্টি হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।