
জলাধারের থৈথৈ পানিতে-
আমি তোমার দেখা পাই৷
পার্থক্য একটাই,
তোমায় ছুয়ে দিলে-
শরীরে বয়ে যায় দমকা হাওয়া।
আগ্নেয়গিরি বিস্ফোরিত হয়,
যা পর্যবেক্ষন করতে ছুটে-
আসে শতশত যুবক-প্রৌঢ়-বৃদ্ধ।
তোমার গতরে বহে গঙ্গা-যমুনা,
ঝড়ে চূড়ান্ত বর্ষা।
রাস্তা ধরে ভেসে যেতে-
বর্ষায় কাক ভেজা হতে ইচ্ছে করে-
কতশত নাম না জানা প্রেমিকের।
তোমার নাভী গহ্বরের আশ্চর্য লীলা,
যেখানে লালিত-পালিত হয়-
এককোষী এ্যামিবা,
যা পরিণত হয় মানুষে!
সুউচ্চ পর্বতচূড়া আরোহন করে-
ক্ষুধা মেটায় আদি পিতা মনু এবং আমরা।
আমি সত্যিই অবাক মানছি তোমাকে,
হে দেবী,
তোমার পদতলে পিষ্ঠ করো-
নাহয় সন্তুষ্ট হয়ে কাছে টানো।
নিরাপত্তাহীনতার এ জগতে,
গর্ভের প্রবল প্রতিরক্ষাকে-
আমি শেষবার ফিরে পেতে চাই।
নির্ভার হতে চাই-
ধর্মরাজ সাক্ষাত করার আগেই।
সমদ্বীপ
লেখক,শিক্ষার্থী(জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ)