
প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠেছে! সম্প্রতি প্রকাশিত একটি তালিকা অনুযায়ী, কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তা ১৭তম গ্রেড থেকে সরাসরি ১০ম গ্রেডে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা সাধারণ নিয়মের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সরকারি চাকরিতে ধাপে ধাপে পদোন্নতির বিধান থাকলেও এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে।
প্রশ্ন উঠছে—এটা কি প্রশাসনিক সংস্কারের অংশ, নাকি অভ্যন্তরীণ প্রভাব ও ক্ষমতার অপব্যবহার?
নিয়ম ভাঙার অভিযোগ:
বাংলাদেশের সরকারি নিয়োগ ও পদোন্নতির নিয়ম অনুযায়ী, একজন কর্মকর্তা সাধারণত এক বা দুটি ধাপে পদোন্নতি পেয়ে উচ্চ গ্রেডে উন্নীত হন। তবে, এই তালিকায় থাকা কয়েকজন কর্মকর্তা এক লাফে সাত ধাপ উপরে উঠে গেছেন, যা নজিরবিহীন।
প্রশ্ন হচ্ছে:
> এই কর্মকর্তাদের কী বিশেষ যোগ্যতা ছিল?
> অন্য কর্মকর্তারা কি তাহলে বঞ্চিত হলেন?
> এই সিদ্ধান্ত কি রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক চাপে নেওয়া হয়েছে?
অনেকেই বলছেন, এতে প্রশাসনিক কাঠামোর ভারসাম্য নষ্ট হবে এবং যোগ্য কর্মকর্তারা ন্যায্য পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হবেন।
সরকারি প্রতিক্রিয়া:
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। তবে, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের পদোন্নতি কর্মক্ষেত্রে অসন্তোষ সৃষ্টি করতে পারে এবং অন্য সরকারি চাকরিজীবীদের মনোবলে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।জনগণের দাবি, এই পদোন্নতির বিষয়ে স্বচ্ছ তদন্ত ও ব্যাখ্যা প্রদান করা হোক।